বেড়াতে গিয়ে হোটেলের ঘরের ভাড়া শুনে অনেকেই মুষড়ে পড়েন। ভাবতেই পারেননি এই লাগাম ছাড়া ভাড়া হতে পারে। অথচ ঘুরতে গেলে থাকতে হবে, সেই কারণে ...


বেড়াতে গিয়ে হোটেলের ঘরের ভাড়া শুনে অনেকেই মুষড়ে পড়েন। ভাবতেই পারেননি এই লাগাম ছাড়া ভাড়া হতে পারে। অথচ ঘুরতে গেলে থাকতে হবে, সেই কারণে অনেক জায়গাতেই আপনার বাজেটের থেকে অনেক বেশি ভাড়া দিয়ে ঘর নিতে হয়। তাতে দিন সংখ্যা কমাতে হয় নয়ত অন্যান্ন দিকে খরচ কমাতে হয়। তাই আপনাদের সকলের সুবিধার্থে ভারত সেবাশ্রম সংঘ খুব নামমাত্র টাকায় ঘর ভাড়া দিয়ে থাকেন। এটাকে তাঁরা ভাড়া বলেন না, ডোনেশন হিসেবে স্লিপ দেন। বেশিরভাগ আশ্রমে ভোগ রান্না করা হয়, আপনি অমৃতসম ভোগ খেয়েও দিন কাটাতে পারেন, কিছু কিছু আশ্রমে ভোগের জন্যে সামান্য ডোনেশন দিতে হয়। অনেক জায়গাতেই তা আবার বিনা মুল্যে। নানা রকমের ঘর আছে, (ডবল থেকে চার পাঁচজন থাকার) আগে থাকতে যাতে বুক করে নিতে পারেন তাঁর জন্যে যোগাযোগ নম্বর দিলাম। আপনাদের কাজে লাগলে খুশী হব।

ভারত সেবাশ্রম সংঘের আবাস ও যোগাযোগ নম্বর..... 

১- স্বরাজপুরী রোড, গয়া, বিহার- ০৬৩১-২২২০৫৭৯/২২২০৯২৯/২৪২৩৬৬৩          
                                                             
২- বারাণসী ১০, সিগ্রা ----০৫৪২-২২২১৬৩৯/২২২০৭৪৬/৫৫৩০২০৮                                                                        

৩- স্বর্গদ্বার, পুরী উড়িষ্যা ---------------------০৬৭৫২-২২৩২২৭
                                                                              ৪- ৯৩, তুলারাম বাগ, এলাহাবাদ (ইউ পি)  ------০৫৩২-২৪৩৪৮৯৭/২১০০৬৩৪ 
                                                                                          ৫- বৃন্দাবন মথুরা, ২৮১১২১ (ইউ পি) --------০৫৬৫-২৪৪৩৩২৪
                                                                                          ৬- শ্রীনিবাসপুরী,নিউ দিল্লী ৬৫------০১১-২৬৩১৬৫৬৬/২৬৮৪৮১৮১ 

৭- কুরুক্ষেত্র হরিয়ানা,---------------------------০১৭৪৪-২২৯৫১১

৮- হরিদ্বার  ----------------------০১৩৩৪-২২৬৩৬৩/২২৩৪৫৬                                                                                       

৯- কেদারনাথ, রুদ্রপ্রয়াগ}  --------------০১৩৮১২২২২৪২.                         

১০- বদ্রীনাথ চামোলী উত্তরাঞ্চল –}                                                ১১- উখিমঠ, রুদ্রপ্রয়াগ, উত্ত্রাঞ্চল-------------০১৩৬৪-২৬৪২৭৪

                                                                                             ১২- হায়দ্রাবাদ ----------------------        -০৪০-২৭৬১২২৮৪

 ১৩- আশ্রম রোড আমেদাবাদ, গুজরাট (সেল ট্যাক্স অফিসের কাছে) ------০৭৯-২৬৫৮                                                           

১৪- কাতারগাম সুরাট-------------------------০২৬১-২৪৮০০১৬

১৫- ভাসিগাও, ভাসি মুম্বাই-----০২২-২৭৮১-১৩২৭/৬৫১৯-১৩২৬                                                                

১৬- রিভার্স মিট রোড, জামসেদপুর, ০৬৫৭-২৩০৪০০০/৬৫৪৪৬৭৪  
                                                                                         ১৭- কাট্টু পিল্লাই ইয়ার, রামেশ্বরম ----------০৪৫৭৩-২২১২১৫.                                     

১৮- আঞ্জু কাট্টু ভিল্লাই রোড, কন্যাকুমারী-----------------------০৪৬৫২-২৪৬১৬৪.                    

১৯- টি এইচ রোড কেশবপুরম,মিঞ্জুর চেন্নাই--০৪৪-২৭৯৯৫১০৬.
                                                                                            ২০- বাঙ্গালর, আম্রুথাহালি, জাক্কুর রোড,----০৮০-২৩৬২০০৩৪.                                      

২১- দ্বারকা, ষ্টেশন রোড ------------------০২৮৯২-২৩৪১৫৭.                          

২২- চৈতন্য এভিনিউ, দূর্গাপুর ---------------০৩৪৩-২৫৬২১২১.                               

২৩- বরাজুরি,ঘাটশিলা --------------------০৬৫৮৫-২৮১০১২.                         

২৪- ভুপাল,৪২৪/৩ শক্তিনগর, ভেল- ---- ০৭৫৫-২৪৭২৫১৪   

২৫- জবালপুর। ১৫২১ বি, রাইট টাউন---------- -০৭৬১-২৩১৩৬৬১/২৪০৫৮৪০                                                           

২৬- ফাফাডিহি, শাস্তিনগর, রায়পুর------------০৭৭১-২৫৮৩৭৭৭                                   

২৭- ডিমাপুর, নাগাল্যান্ড, কালিবাড়ি রোড ---০৩৮৬২-২৩২৮০২                                           

২৮- সুভাষ পল্লী, শিলিগুড়ি, ------------------০৩৫৩-২৪৩৬২৩২.                                                                                

২৯- লাখ্রা রোড, গৌহাটি, ----------------------০৩৬১-২৪৭১৩২৯                                                                            

৩০- পান্ডু কলনী গৌহাটি, ---------------------০৩৬১-২৫৭২৭০৭  

৩১- মহিষাদল, মেদিনীপুর, -------------------০৩২২৪-২৪০৩৬১ 

৩২- পুকুরিয়াম,মেদিনীপুর, ---------০৩২২১-২৫৭৩৫১/২৫৫৭৬৩                                                                   

৩৩- কর্ণেলগোলা, মেদিনীপুর, ---------------০৩২২২-২৬৩৩৬৪ 

৩৪- সাহাপুর, মালদা, -----------------------০৩৫১২-৬৪৫৩১২ 

৩৫- রায়গঞ্জ, দিনাজপুর, ----------------------০৩৫২৩-২২৩২৬০ 

৩৬- গঙ্গাসাগর, সাগরদ্বীপ, ------------------০৩২১০-২৪০২০৫ 

৩৭- বালুরঘাট, ---------------------------------০৩৫১১-২৫৫৮৮৩ 

৩৮- বেলডাঙ্গা ----------------------------------০৩৪৮২-২৬৪২৫৩ 

৩৯- ফরাক্কা -------------------------------------০৩৪৮৫-২৫৩৫৪৬ 

৪০- লামডিং, আসাম,-------------------------০৩৬৭৪-২৬৩৩৪৬

৪১- নাসিক, তপবন পঞ্চবটী, ----------------০২৫৩-২৫১৯৮৪৪ 

৪২- গোরক্ষপুর, ১৮,কাসিয়া রোড, -------------০৫৫১-২২০১৩২৬ 

৪৩- ডোকরা,পশ্চিম মেদিনীপুর, -------------৯৭৩৩৯-৭৩৩০০ 

৪৪- পায়রাডাঙ্গা, রাণাঘাট, ---------------------০৩৪৭৩-২৩৬৬০০ 

৪৫- খাতরা, বাঁকুড়া, ---------------------------০৩২৪৩-২৫৫৬৪০ 

৪৬- শিলং, জেল রোড, মেঘালয়া---------------০৩৬৪-২২২৫২৬৪ 

৪৭- জলপাইগুড়ি, ডিবিসি রোড পঃবঃ -------০৩৫৬১-২২৪২৪০ 

৪৮- কালাপাত্থর, সিপ্পীঘাট পোর্ট ব্লেয়ার, ------০৩১৯২-২৫০১৫৬ 

৪৯- বরোদা, ৯, দীপকুঞ্জ সোসাইটি, মাকারপুরা রোড, ----------০২৬৫-২৬৪৫১৮০                                                             

৫০- কাল্লোল, বজরঙ্গবলী, ভিমশালা, গান্ধীনগর, গুজরাট, --------------০২৭৬৪-২২৭৮৫৭                                                      

৫১- অমরকন্টক, সোনামুরা রোড, অনুপপুর, ----- ০৭৬২৯-                          ২৬৯৬৪১/০৯৪০৬-৪৩৬৮৫০.                                                                

৫২- নাগপুর, ২৪২, প্রণবনগর, ----------------০৭১২-২০২১৪৩৯                                         

৫৩- জম্মু, পাঞ্জগ্রীণ নাগ্রোতা, এন, এইচ, বাইপাস রোড, -------------০৯৪৩২-৩৩৯২৯৯

ছবিগুলি ভাল করে দেখুন। এই ধরনের পিপে আকৃতির পাত্র আমরা কিন্তু অনেকেই অনেক সময়েই জলের ড্রাম হিসেবে ব্যবহার করেছি। মূলতঃ বিল্ডিং তৈরির ...


ছবিগুলি ভাল করে দেখুন। এই ধরনের পিপে আকৃতির পাত্র আমরা কিন্তু অনেকেই অনেক সময়েই জলের ড্রাম হিসেবে ব্যবহার করেছি। মূলতঃ বিল্ডিং তৈরির সময়ে রাজমিস্ত্রিদের এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করতে দেখা যায়, ইট ভেজানো বা কংক্রিট বা বালি সিমেন্টের মশলা মাখানোর জন্য ব্যবহৃত জল রাখার জন্য।

এবার মূল বক্তব্যে আসি। এই পাত্রগুলি দিয়ে আমরা খুব সহজেই "গ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জ ওয়েল" বানিয়ে নিজেদের বাড়িঘরে বসাতে পারি। এজন্য প্রথমে এই পাত্রগুলিকে ছবির মত করে "perforated" বা ছিদ্রযুক্ত করে নিতে হবে। এর পর মাটিতে মোটামুটি ৪'× ৪' (চার ফুট বাই চার ফুট) আকারের একটি চৌকো জায়গায় মাটি খুঁড়ে গর্ত করে পাত্রটিকে এমনভাবে বসাতে হবে যাতে পাত্রটি মাটির তলায় মোটামুটি ন্যূনতম একফুট বা তার বেশি নিচে থাকে (আমরা পাত্রটিকে আরো গভীরেও বসাতে পারি, যত বেশি গভীর করা যায় ততই ভাল)। এবার পাত্রটির চারপাশে বালি এবং ইট ভাঙা খোয়া দিয়ে ভরাট করে দিন।

এরপর আসে আসল কাজ। বাড়ির ছাদের জল যে রেন ওয়াটার পাইপগুলির মাধ্যমে নেমে আসে সেগুলোকে একটি একটি করে বা একসাথে দু'তিনটিকে জুড়ে সেই পাইপলাইন ছবির মত করে সরাসরি এনে এই রিচার্জ ওয়েলে যুক্ত করে দিন। পাইপলাইন মাটির নীচে দিয়ে আনাই ভাল তাতে নষ্ট হওয়ার বা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। আমরা এভাবে প্রতিটি পাইপের জন্য আলাদা আলাদা রিচার্জ ওয়েল বসাতে পারি বা অনেকগুলিকে জুড়েও একটি ওয়েল বসাতে পারি। পাইপলাইন এই রিচার্জ ওয়েলগুলির সাথে জোড়া হয়ে গেলে এই পাত্রগুলির ওপরে ইট ভাঙা খোয়া দিয়ে মাটি দিয়ে ঢেকে দিন। ব্যস আপনার কাজ শেষ।

এই ধরণের রিচার্জ ওয়েল থেকে আমরা বছরে কয়েক হাজার লিটার জল ভূগর্ভস্থ জলস্তরে রিচার্জ করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে গড় বৃষ্টিপাতের হিসেবে, ১০০০ বর্গফুট ছাদবিশিষ্ট একটি বাড়ি থেকে আমরা বছরে প্রায় ১১৪ ঘনমিটার (অর্থাৎ ১,১৪০০০ লিটার জল) যা চারজনের পরিবারের প্রায় ১০৫ দিনের যাবতীয় জল খরচের সমপরিমাণ (২৭০ লিটার মাথাপিছু প্রতিদিনের হিসেবে) জল আবার ভূগর্ভস্থ জলস্তরে ফিরিয়ে দিতে পারি। আর এই কাজের জন্য আমাদের খরচ হতে পারে সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকার মত।

আর এই পরিমাণ জল যদি কিনে ব্যবহার করতে যান তাহলে খরচ?

আমি বলব না। অনেকেই আজকাল ২০ লিটারের জারের জল কিনে খান। খুব কম করে হলেও মোটামুটি যদি ১ টাকা/ লিটার হিসেবেও জল কেনেন (প্রসঙ্গত, এক লিটারের একটি জলের বোতল বর্তমানে ন্যূনতম ১৫ টাকায় বিক্রি হয়, আর চেন্নাই এবং মহারাষ্ট্রে বর্তমানে এক লিটার জল ২০০ টাকার আশেপাশে দামে বিক্রি হচ্ছে নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেলাম) তাহলে বছরে কত টাকা খরচ করতে হবে সেই হিসাবটা আপনারাই করে নিতে পারবেন। আর নিজেদের পকেটের টাকা খরচের ব্যাপারে, আমাদের আম জনতার চেয়ে বড় ব্যবসায়ী কেউ নেই।

সুতরাং, সুধীজন এই পর্যন্তই থাক। আপনারা হিসেব কষে দেখতে থাকুন।

মূলোর মূল্য অনেক । মূলো প্রতিদিনের আটপৌরে সস্তা তরকারি । সস্তা ও সুলভ বলে কিন্তু হেলাফেলার নয় — মূলাের অনেক গুণ , অনেক রােগ সারাবার ক...


মূলোর মূল্য অনেক । মূলো প্রতিদিনের আটপৌরে সস্তা তরকারি । সস্তা ও সুলভ বলে কিন্তু হেলাফেলার নয় — মূলাের অনেক গুণ , অনেক রােগ সারাবার ক্ষমতা রয়েছে । 
মূলো হল একটি জনপ্রিয় মুলজ সবজি । এটি শীতের ঠিক আগের সময় পাওয়া যায় । যদিও বর্ষাকালেও এর চাষ হচ্ছে । মাটির নীচে থাকা স্ফীত মূল বা শিকরকেই আমরা মূলো হিসেবে খাই । তবে বেশী দেরী করে মাঠ থেকে তুললে এতে আঁশ বা ছিবড়ে বেশী হয়ে যাবে এবং খাওয়া যাবে না । বলা হয়, এ জন্য মাঘ মাসে মুলাে খেতে নেই । কেবল নরম শাঁস সবজি হিসেবে খাবেন । এর বিজ্ঞানসম্মত নাম হল - ব্যাফানাস স্যাটাই ভাসি । 

পুষ্টিগুণ : 

মূলো কিন্তু একটি পুষ্টিকর সবজি । বাজারে কম দামে এবং খুব সহজেই একে পাওয়া যায় । এর ১০০ গ্রাম খাদ্যপযোগী অংশে পাবেন ।

কার্বোহাইড্রেট - ৩.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম - ৫০ মিগ্রা ।
ফসফরাস - ২২ মি,  ফ্যাট - ০১ গ্রাম । 
লােহা - ০ . ৪ মিগ্রা,   পটাশিয়াম - ১৩৮ মিগ্রা ।
ভিটামিন - A — ০.০,   ভিটামিন - C — ১৫ মিগ্রা ।

উপকারিতা : 
  • দুপুর বা রাত্তিরে গুরু - পাক ভােজনের পরে মূলাের রসে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে পেটের ব্যথা ও গ্যাস কমে যায় ।
  • ভাত , রুটি খাওয়ার সঙ্গে কাচা মূলাে নুন দিয়ে খেলো রুচি বাড়ে ।
  • কচি মূলাের স্যালাড খেলে খিদে বেড়ে যায় ।
  • মূলাের মধ্যে আছে জ্বর সারাবার গুণ ।
  • পিলের রােগে পরম উপকারী ।
  • শীতকালে কাঁচা মুলাে খেলে কাজে উৎসাহ বাড়ে , খাবার সহজে হজম হয় এবং শরীরের পুষ্টি হয় ।
  • মূলাের শাক বেশি মাত্রায় খেলে প্রস্রাব ও মল পরিষ্কার হয়ে গিয়ে শরীরের গ্লানি বেরিয়ে যায় ।
  • অর্শ রােগীরা মূলাের পাতা ( শাক ) বা মুলাের শাকের রস খেলে উপকার পাবেন ।
  • মূলাের চেয়ে মূলাের শাকেরই গুণ বেশি । মূলাের শাক সহজে হজম হয় ও খাওয়া দাওয়ায় রুচি বাড়ায় ।
  • মূলাের শাক কঁচা খেলে পিত্ত বৃদ্ধি পায়, কিন্তু ঘিয়ে বা তেলে সাঁতলে নিয়ে শাক রান্না করে খেলে শরীরের পক্ষে সব দিক থেকে উপকারী ।
  • শুকনাে মূলাের ঝােল রান্না করে এক ঘন্টা অন্তর আধকাপ করে গরম গরম পান করালে খিচুনি সারে ।
  • মূলাে আর তিল একসঙ্গে মিশিয়ে বেটে খেলে শরীর - ফোলা কমে আর যদি ত্বকের নিচে কোনাে কারণে জল জমে তাও সেরে যায় । মূলাের পাতার ৫ / ৬ চামচ রস খাওয়ালেও ফুলাে তাড়াতাড়ি কমে যায় ।
  • শুকনাে মূলাের স্যুপ খাওয়ালে এবং শুকনাে মুলাে একটা কাপড়ের পুঁটলিতে বেঁধে তার সেঁক দিলেও অর্শের কষ্টে আরাম পাওয়া যায় ।
  • মূলো পাতার রসে একটু সােডি - বাই - কার্ব মিশিয়ে খাওয়ালে প্রস্রাব পরিষ্কার হয় এবং কোন কারণে প্রস্রাব জমে থাকার কষ্ট ( মূত্রাবরােধ ) দূর হয় ।

টম্যাটো হল একটি শীতকালীন সবজি । বাজারে টকটকে লালরঙের টম্যাটো সকালের নজর টানে । এটি যেমন পুষ্টিকর তেমন খেতেও সুস্বাদু বটে । দৈনিক আহা...


টম্যাটো হল একটি শীতকালীন সবজি । বাজারে টকটকে লালরঙের টম্যাটো সকালের নজর টানে । এটি যেমন পুষ্টিকর তেমন খেতেও সুস্বাদু বটে । দৈনিক আহারে টম্যাটো আপনাকে রাখতেই হবে । এর বিজ্ঞানসম্মত নাম হল — লাইকোপারসিকন এসকুলেনটাম । 

পুষ্টিগুণ : 

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের কথায় প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযােগী অংশে আছে --

কার্বোহাইড্রেট — ৩ .৬ গ্রাম, লােহা — ১ . ৮ মিগ্রা।
প্রােটিন — ১ . ৯ গ্রাম,  ক্যালসিয়াম — ২০ মিগ্রা ।
ফ্যাট - ৫.১ গ্রাম , আঁশ - ০.৭ গ্রাম, ফসফরাস - ৩৬ মিগ্রা।
ভিটামিন - A — ৩২০ আই ইউ ,  পটাশিয়াম — ১১৪ মিগ্রা ।
থায়ামিন . ০৭ মিগ্রা ,  ভিটামিন - C — ৩১ মিগ্রা ।
রিবোফ্যারবিন-০.১মিগ্রা, নিকোটিনিক অ্যাসিড-০.৪ মিগ্রা।

একটি বড় মাপের পাকা টম্যাটো থেকে আপনি ১২ ক্যালােরি শক্তি পেতে পারেন । 

উপকারিতা  : 
  • একটি করে টাটকা পাকা টম্যাটো দুপুরে ভাত খাওয়ার আগে খােসা ও বীজ সমেত কামড়ে গেলে এবং রাত্তিরে শােওয়ার আগেও এইভাবে খেলে পুরােনাে কোষ্ঠকাঠিন্য কয়েক দিনের মধ্যে দূর হয়ে যাবে ।
  • যাদের ওজন কম তারা যদি খাওয়া - দাওয়ার সঙ্গে প্রতিদিন নিয়ম করে একটা পাকা টম্যাটো খান, ওজন নিশ্চই বাড়বে ।
  • ফ্যাকাসে রক্তহীন চেহারার ব্যক্তিদের প্রতিদিন নিয়মিত একটি পাকা টম্যাটো খাওয়া উচিত, এতে রঙে জৌলুস আসবে ও রক্তকণিকা বাড়বে । অর্জুন গাছের ছাল, ও তার সাথে চিনি মিশিয়ে টম্যাটোর রসের দ্রবণ ( জ্যামের মতাে ঘন থকথকে ) তৈরি করে নিমিত খেলে বুকের ব্যাথা বা হার্টের ব্যাথা এবং হার্টের অসুখে উপকার পাওয়া যায় ।
  • পাকা টম্যাটোর রসে মধু মিশিয়ে খেলে রক্তপিত্ত এবং রক্তবিকার ( রক্তের দোষ ) সেরে যায় ।
  • পাকা টম্যাটোর এক কাপ রস প্রতিদিন নিয়ম করে খেলে অন্ত্রের ভেতরে আটকে থাকা মল নিষ্কাশিত হয় এবং এইভাবে পুরোনো কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যায় ।
  • টম্যাটোর দু এক চামচ রস বাচ্চাদের খাবার খাওয়ানাের আগে খাইয়ে দিলে দুধ তােলা বন্ধ হয়।
  • এক কাপ ভাল নারকেল তেল এবং আধকাপ টম্যাটোর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মালিশ করলে এবং তার একটু পরে হালকা গরম জলে স্নান করলে শরীরের চুলকুনি সারে ।
  • মাথার খুসকিতে আধকাপ , ভাল নারকেল তেলে ১ / ৪ কাপ টম্যাটোর রস মিশিয়ে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায় ।

বেগুণ হল অন্যতম জনপ্রিয় সবজি । সারাবছর এটি পাওয়া যায় । এর বিজ্ঞানসম্মত নাম হল  সােলানাম মেলােনজেনা । পুষ্টিগুণ :  বেগুণ হল প...


বেগুণ হল অন্যতম জনপ্রিয় সবজি । সারাবছর এটি পাওয়া যায় । এর বিজ্ঞানসম্মত নাম হল  সােলানাম মেলােনজেনা ।

পুষ্টিগুণ : 

বেগুণ হল পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি । পুষ্টি বিজ্ঞানীদের কথায় ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী অংশে আছে --

কার্বোহাইড্রেট -- ৪ গ্রাম ,    লােহা -- ০ . ৯ মিগ্রা ,
প্রোটিন -- ১ . ৪ গ্রাম ,    ক্যালসিয়াম — ১৮ মিগ্রা ,
ফ্যাট — ৩ . ৩ গ্রাম ,     ফসফরাস -- ৪৭ মিগ্রা ,
আঁশ — ১ . ৩ গ্রাম ,    পটাশিয়াম -- ২০০ মিগ্রা ,  
রিবােফ্লাবিন - ০.১১ মিগ্রা,    ভিটামিন - সি  -- ১২ মিগ্রা ,
নিকোটিনিক অ্যাসিড -- ০.৯ মিগ্রা ,   ভিটামিন - এ ' — ১২৪ আই . ইউ ,

 উপকারিতা : 
  • যাঁদের ঘুম ভাল হয় না তারা যদি একটু বেগুণ পােড়ায় মুধ মিশিয়ে সন্ধ্যেবেলা চেটে চেটে খান তাহলে তাদের রাত্তিরে ভাল ঘুম হবে ।  
  • কচি বেগুণ পুড়িয়ে, রােজ সকালে খালি পেটে একটু গুড় মিশিয়ে খেলে ম্যালেরিয়ার দরুণ লিভার বেড়ে যাওয়া কমে যায় যায় । লিভারের দোষের জন্যে চেহারায় হলদেটে ভাব এলে তা ক্রমশ দূর হয়ে যায় ।
  • বেগুনের তরকারি , বেগুণ পােড়া , বেগুনের স্যুপে রােজ যদি একটু হিং ও রসুন মিশিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে বায়ুর প্রকোপ তাে কমেই , যদি কারাে পেটে বায়ু গােলকের সৃষ্টি হয়ে থাকে সেটাও কমে যায় বা সেরে যায় ।
  • মহিলাদের নিয়মিত ঋতু না হলে বা কোনাে কারণে ঋতু বন্ধ হয়ে গেলে , তারা যদি - শীতকালে নিয়ম করে বেগুনের তরকারি , বাজরার রুটি এবং গুড় খান তাহলে উপকার পাবেন । অবশ্য যাদের শরীরে গরমের ধাত বেশি তাদের পক্ষে এটা না খাওয়াই ভাল ।
  •  নিয়মিত বেগুণ খেলে মূত্রকৃচ্ছতা সারে ।
  • প্রস্রাব পরিষ্কার হওয়ায় প্রারম্ভিক অবস্থায় কিডনির ছােট পাথরও গলে গিয়ে মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যায় ।
  • ছােট ছােট গােল গােল সাদা বেগুণ অর্শের পক্ষে উপকারী ।
  • বেগুনের পুলটিস বাঁধলে ফেঁড়া তাড়াতাড়ি পেকে যায় ।
  •  বেগুনের রস খেলে ধাতুরোর বিষ নেমে যায় ।